মহিলাদের ইহরাম বাধার নিয়ম ও দোয়া

হজ ও উমরাহ ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর একটি। এই পবিত্র যাত্রার সূচনা হয় ইহরাম অবস্থায় প্রবেশের মাধ্যমে। অনেকের ধারণা, ইহরাম মানেই পুরুষদের জন্য বিশেষ দুই টুকরো কাপড় পরা। কিন্তু বাস্তবে ইহরাম শুধু পোশাকের বিষয় নয়; এটি একটি নির্দিষ্ট ইবাদতের অবস্থা, যেখানে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য কিছু বিশেষ নিয়ম ও বিধান রয়েছে।

মহিলাদের ক্ষেত্রেও ইহরামে প্রবেশের আগে কিছু প্রস্তুতি নেওয়া, নির্দিষ্ট নিয়ম মানা এবং সঠিক নিয়ত করা জরুরি। ইহরাম মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি পবিত্র নিয়ত গ্রহণ করা এবং কিছু নির্ধারিত সীমাবদ্ধতা মেনে চলার মাধ্যমে হজ বা উমরাহর ইবাদতে প্রবেশ করা। তাই এই অবস্থায় প্রবেশ করার আগে সঠিক নিয়ম জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহিলাদের ইহরাম বাধার নিয়ম ও দোয়া

এই ব্লগে আমরা বিস্তারিতভাবে জানব, মহিলাদের ইহরাম বাঁধার নিয়ম, ইহরামের সময় করণীয়, ইহরামের নিষেধাজ্ঞা, ইহরামের নিয়ত ও দোয়া সম্পর্কে।

ইহরাম কী?

ইহরাম হলো হজ বা উমরাহ পালনের শুরুতে গ্রহণ করা একটি পবিত্র অবস্থা। এই অবস্থায় প্রবেশ করার মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ বা উমরাহর নিয়ত করেন এবং কিছু নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলার অঙ্গীকার করেন। ইহরাম কেবল একটি পোশাকের বিষয় নয়; এটি মূলত ইবাদতের একটি বিশেষ অবস্থা, যেখানে মন, আচরণ ও কাজের মধ্যে পবিত্রতা বজায় রাখা জরুরি হয়ে যায়।

ইহরাম কী?

ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করার পর কিছু কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়, যেমন ঝগড়া-বিবাদ, শিকার করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা ইত্যাদি। একই সঙ্গে তাওয়াফ, সাঈ এবং বিভিন্ন দোয়া-যিকিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আমলও পালন করতে হয়। তাই ইহরাম হজ ও উমরাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা ধাপ।

মহিলাদের ইহরাম বাঁধার প্রস্তুতি

হজ বা উমরাহর ইহরামে প্রবেশ করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া সুন্নত। এই প্রস্তুতিগুলো শুধু শারীরিক পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, বরং মানসিক ও আত্মিকভাবে নিজেকে পবিত্র ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করার অংশ। সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিলে ইহরামের বিধান মেনে চলা সহজ হয় এবং ইবাদতের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।

১. গোসল করা

ইহরামে প্রবেশের আগে গোসল করা সুন্নত। এটি শরীরকে পরিষ্কার করে এবং ইবাদতের জন্য পবিত্র অবস্থায় প্রবেশ করতে সাহায্য করে। যদি কোনো কারণে গোসল করা সম্ভব না হয়, তাহলে ওযু করে নেওয়াও যথেষ্ট।

২. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

ইহরামের আগে নখ কাটা, শরীর পরিষ্কার করা এবং অপ্রয়োজনীয় লোম অপসারণ করা উত্তম। কারণ ইহরামের অবস্থায় এসব কাজ করা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। তাই আগে থেকেই পরিচ্ছন্নতা সম্পন্ন করে নেওয়া ভালো।

৩. সুগন্ধি ব্যবহার (ইহরামের আগে)

ইহরামের নিয়ত করার আগে শরীরে সুগন্ধি ব্যবহার করা বৈধ। অনেকেই গোসলের পর হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করেন। তবে ইহরামের নিয়ত করার পর আর কোনো ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না।

৪. শালীন পোশাক পরা

মহিলাদের জন্য ইহরামের নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই। তবে শালীন, ঢিলেঢালা এবং শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরা উচিত।

  • মাথা ঢেকে রাখা যাবে।
  • মুখ খোলা রাখা সুন্নত।
  • সাধারণ অবস্থায় হাত মোজা বা মুখ ঢাকার নেকাব পরা যাবে না।
  • প্রয়োজনে মুখের সামনে কাপড় ঢিলে ভাবে ঝুলিয়ে রাখা যেতে পারে, তবে তা মুখে লেগে থাকা উচিত নয়।

ইহরামের সঠিক নিয়ম জানুন আজই

হজ বা উমরাহর আগে ইহরামের নিয়ত, দোয়া ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো সহজভাবে জেনে নিন এবং আপনার পবিত্র যাত্রার প্রস্তুতি নিন।

মহিলাদের ইহরাম বাঁধার নিয়ম

হজ বা উমরাহ শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ইহরামে প্রবেশ করা। অনেকেই মনে করেন ইহরাম শুধু বিশেষ পোশাকের বিষয়, কিন্তু আসলে এটি একটি নিয়ত এবং কিছু নির্দিষ্ট বিধান মেনে চলার প্রতিশ্রুতি। মহিলাদের জন্য ইহরাম বাঁধার নিয়ম তুলনামূলকভাবে সহজ। সঠিকভাবে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই তারা ইহরামে প্রবেশ করতে পারেন।

১. মীকাত অতিক্রমের আগে প্রস্তুতি নেওয়া

হজ বা উমরাহ আদায় করতে গেলে মীকাত নামক নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করার আগেই ইহরামে প্রবেশ করতে হয়। তাই মীকাতের আগে গোসল করা, পরিষ্কার কাপড় পরা এবং মানসিকভাবে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত হওয়া উত্তম। মহিলারা সাধারণ শালীন ও পর্দাসম্পন্ন পোশাক পরেই ইহরাম অবস্থায় থাকতে পারেন।

২. দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা

ইহরামের নিয়ত করার আগে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত হিসেবে গণ্য করা হয়। এই নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য ও কবুলিয়াত কামনা করা হয়। তবে কোনো কারণে নামাজ পড়া সম্ভব না হলে সরাসরি নিয়ত করলেও ইহরাম হয়ে যায়।

৩. ইহরামের নিয়ত করা

নামাজ শেষ করার পর হজ বা উমরাহর নিয়ত করতে হয়। নিয়তের মাধ্যমে একজন মুসলিম ইহরামের অবস্থায় প্রবেশ করেন এবং হজ বা উমরাহর ইবাদত শুরু করেন।

উমরাহর নিয়ত:
اللَّهُمَّ إِنِّي أُرِيدُ الْعُمْرَةَ فَيَسِّرْهَا لِي وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল উমরাতা ফাইয়াসসিরহা লি ওয়া তাকাব্বালহা মিন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি উমরাহ আদায় করতে চাই। আপনি এটিকে আমার জন্য সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন।

ইহরামের তালবিয়া

ইহরামে প্রবেশ করার পর থেকে বারবার তালবিয়া পাঠ করা সুন্নত। এটি হজ ও উমরাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জিকির। তালবিয়ার মাধ্যমে একজন হাজি বা উমরাহ পালনকারী আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং তাঁর একত্বের স্বীকৃতি প্রদান করেন। তাই ইহরামের নিয়ত করার পর থেকে সুযোগ পেলেই মনোযোগ ও খুশু সহকারে তালবিয়া পড়া উত্তম।

তালবিয়া:

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكُ لَا شَرِيكَ لَكَ

উচ্চারণ: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নিআমাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছি। আপনার কোনো শরিক নেই। সব প্রশংসা, সব নিয়ামত এবং সব রাজত্ব একমাত্র আপনারই। আপনার কোনো অংশীদার নেই।

নোট: তালবিয়া ইহরামের সময় বারবার পড়া উত্তম—বিশেষ করে নামাজের পর, যাত্রাপথে, পাহাড় বা উঁচু স্থানে ওঠার সময় এবং কাবার নিকটে পৌঁছানোর আগে । পুরুষরা সাধারণত কিছুটা উঁচু স্বরে তালবিয়া পড়েন, তবে মহিলারা এটি মৃদু স্বরে পাঠ করবেন

ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের করণীয়

ইহরামে প্রবেশ করার পর একজন মুসলিম নারীকে নিজের আচরণ, কথা-বার্তা এবং আমলের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হয়। এই সময়টি শুধু ভ্রমণের অংশ নয়; বরং এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি পবিত্র সুযোগ। তাই ইহরামের সময় যত বেশি সম্ভব ইবাদত, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির দিকে মনোযোগ দেওয়া উত্তম।

ইহরাম অবস্থায় সাধারণত যেসব আমল বেশি করার পরামর্শ দেওয়া হয় সেগুলো হলো—

  • বেশি বেশি তালবিয়া পাঠ করা: “লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…” এই তালবিয়া বারবার পাঠ করা হজ ও উমরাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। এটি আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রকাশ।
  • দোয়া ও ইস্তেগফার করা: নিজের জন্য, পরিবার ও পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। পাশাপাশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা ইহরামের সময় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
  • কুরআন তিলাওয়াত করা: সুযোগ পেলেই কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা বা শোনা উত্তম। এতে হৃদয় শান্ত হয় এবং ইবাদতের পরিবেশ আরও গভীর হয়।
  • ধৈর্য ও নম্রতা বজায় রাখা: হজ বা উমরাহর সফরে অনেক সময় ভিড় ও কষ্ট হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতেও ধৈর্য, নম্রতা এবং ভদ্র আচরণ বজায় রাখা একজন মুমিনের গুণ।
  • অপ্রয়োজনীয় কথা ও ঝগড়া এড়িয়ে চলা: ইহরামের সময় তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়া বা অপ্রয়োজনীয় আলোচনা থেকে দূরে থাকা জরুরি। এতে মন ইবাদতের দিকে বেশি কেন্দ্রীভূত থাকে।

হজ ও উমরাহর জন্য সঠিকভাবে ইহরাম বাঁধতে শিখুন

মহিলাদের ইহরাম বাঁধার নিয়ম, করণীয় ও নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এবং ইবাদতের প্রস্তুতি নিন।

ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য নিষেধাজ্ঞা

ইহরামে প্রবেশ করার পর কিছু নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো মানার উদ্দেশ্য হলো ইবাদতের পবিত্রতা বজায় রাখা এবং আল্লাহর নির্দেশের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করা। তাই ইহরাম অবস্থায় একজন মুসলিম নারীকে এসব নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সতর্কভাবে তা মেনে চলা উচিত।

  • সুগন্ধি ব্যবহার করা
  • নখ কাটা
  • চুল কাটা বা তোলা
  • স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক করা
  • শিকার করা
  • ঝগড়া বা গালমন্দ করা

মহিলাদের ইহরাম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

হজ বা উমরাহর সময় মহিলাদের ইহরাম নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জানা দরকার। অনেকেই মনে করেন মহিলাদের ইহরামের জন্য বিশেষ পোশাক বা নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি বেশ সহজ। নিচে কয়েকটি মূল বিষয় তুলে ধরা হলো—

  • নির্দিষ্ট রঙের পোশাক বাধ্যতামূলক নয়: মহিলাদের জন্য সাদা বা কোনো নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরা বাধ্যতামূলক নয়। শালীন যেকোনো সাধারণ পোশাক পরেই ইহরাম করা যায়।
  • সাধারণ পোশাকেই ইহরাম করা যায়: পুরুষদের মতো আলাদা ইহরামের কাপড় নেই। ঢিলেঢালা ও শালীন পোশাকেই ইহরাম করা যায়।
  • মুখ ও হাত ঢেকে রাখা নিষেধ: ইহরাম অবস্থায় মুখ ও হাত ঢেকে রাখা যাবে না। তবে প্রয়োজনে ওড়না দিয়ে মুখ আড়াল করা যেতে পারে, যাতে কাপড় সরাসরি মুখে না লাগে।
  • তালবিয়া আস্তে পড়তে হয়: মহিলারা সাধারণত তালবিয়া নরম বা আস্তে স্বরে পড়বেন। এতে নিজেরা শুনতে পারবেন, কিন্তু জোরে পড়ার প্রয়োজন নেই।

হজ্জ বা উমরাহ নির্বিঘ্নে পালন করতে বিশ্বস্ত সহায়তা নিন

হজ্জ বা উমরাহ এমন একটি পবিত্র ইবাদত, যা সঠিক পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও সহজ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যায়। বাংলাদেশে বিশ্বস্ত হজ্জ ও উমরাহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিজাজ হজ্জ ওমরাহ লিমিটেড আপনাকে ভিসা প্রসেসিং, বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং এবং পুরো সফরের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনায় সহায়তা করে।

আপনি যদি নিশ্চিন্তে হজ্জ বা উমরাহ পালন করতে চান, তাহলে আজই হিজাজ হজ্জ ওমরাহ লিমিটেড –এর সাথে যোগাযোগ করুন এবং আপনার পবিত্র সফরের প্রস্তুতি শুরু করুন।

পবিত্র উমরাহ যাত্রার প্রস্তুতি নিন

ইহরামের নিয়ম, করণীয় ও নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নিয়ে হজ ও উমরাহর ইবাদত আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করুন।

মহিলাদের ইহরাম বাধার নিয়ম সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর

না, মহিলাদের জন্য পুরুষদের মতো নির্দিষ্ট ইহরামের পোশাক নেই। তারা শালীন, ঢিলেঢালা ও সাধারণ পোশাক পরেই ইহরাম করতে পারেন। পোশাক যেন শরীর ঢেকে রাখে এবং অশালীন না হয়, সেটাই মূল বিষয়।

ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ। তবে প্রয়োজনে ওড়না বা কাপড় এমনভাবে ব্যবহার করা যায় যাতে তা সরাসরি মুখের সঙ্গে লেগে না থাকে কিন্তু আড়াল তৈরি করে।

ইহরাম অবস্থায় গ্লাভস বা হাত ঢাকার কাপড় ব্যবহার করা ঠিক নয়। হাত খোলা রাখা উত্তম।

সাধারণত মহিলারা তালবিয়া আস্তে বা নরম স্বরে পড়েন। এতে তারা নিজেরা শুনতে পারেন, তবে জোরে পড়ার প্রয়োজন হয় না।

মহিলারা মীকাত অতিক্রম করার আগে ইহরামের নিয়ত করবেন। নিয়ত করার মাধ্যমে তারা ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করেন এবং এরপর ইহরামের নিয়মগুলো মেনে চলতে হয়।

Apply for an Umrah visa and experience the hassle-free journey to the city of Makkah.

Arrow