হজ্জ মানেই শুধু কাবাঘরকে ঘিরে কিছু আনুষ্ঠানিক আমল নয়। হজ্জ একটি ধারাবাহিক ইবাদত, যেখানে প্রতিটি
স্থান, প্রতিটি সময় এবং প্রতিটি অবস্থানের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এই ধারাবাহিকতার একটি
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো—মিনায় অবস্থান।
মিনা এমন একটি স্থান, যেখানে হাজী আল্লাহর হুকুমের সামনে নিজের আরাম, অভ্যাস এবং স্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে
দেন। এখানে থাকা মানে শুধু তাঁবুতে রাত কাটানো নয়; বরং এটি আনুগত্য, ধৈর্য এবং ত্যাগের এক বাস্তব
অনুশীলন। তাই শরিয়ত মিনায় অবস্থানকে হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
মিনায় অবস্থান হজ্জের আমলকে পূর্ণতা দেয়। কারণ এখানে হাজীরা নিজের আরাম, সুবিধা ও
অভ্যাস ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর নির্ধারিত পথে চলতে শেখেন। এই আলোচনার উদ্দেশ্য হলো—মিনায় থাকার
বিধানকে শরয়তের আলোকে সহজভাবে তুলে ধরা,
যেন হাজীরা সঠিকভাবে আমল আদায় করতে পারেন।
মিনা মক্কা ও আরাফার মাঝামাঝি একটি বিস্তৃত উপত্যকা। এটি মক্কা মুকাররমা থেকে প্রায় কয়েক কিলোমিটার
দূরে অবস্থিত। হজ্জের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে হাজীদের এখানে অবস্থান করতে হয়।
এই স্থানটি কেবল ভৌগোলিক দিক থেকে নয়, বরং ইবাদতের ঐতিহাসিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইবরাহিম (আ.)-এর ত্যাগ, শয়তানের প্ররোচনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ—সবকিছুর স্মৃতি বহন করে এই মিনা।
অনুবাদ:“আর তোমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে আল্লাহকে স্মরণ করো। কেউ যদি দু’দিনেই চলে যায়, তবে তার
কোনো গুনাহ নেই। আর কেউ যদি দেরি করে, তাতেও তার কোনো গুনাহ নেই—যে আল্লাহকে ভয় করে।”(সূরা
আল-বাকারা: ২০৩)
মুফাসসিরগণের ব্যাখ্যায় “নির্দিষ্ট দিন” বলতে আইয়ামে তাশরীক (১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ) বোঝানো
হয়েছে। এই দিনগুলোতে হাজীরা মিনায় অবস্থান করে যিকর, তাকবির ও ইবাদতে মশগুল থাকেন। এ আয়াত থেকেই
বোঝা যায়, এই দিনগুলোতে মিনায় অবস্থান ও
আল্লাহর স্মরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ শরয়ি নির্দেশনা।
মিনায় রাত যাপনের শরয়ী বিধান
অনেক হাজীর মনে প্রশ্ন থাকে—মিনায় রাত যাপন কি ফরজ, নাকি সুন্নত? অধিকাংশ আলেমের মতে, আইয়ামে
তাশরীকের রাতগুলো (১১ ও ১২ জিলহজ্জ) মিনায় যাপন করা ওয়াজিব। বিনা ওজরে এটি ছেড়ে দিলে দম
ওয়াজিব হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে মিনায় রাত যাপন
করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও এতে গুরুত্ব দিতে দেখা যায়।
অনুবাদ: “রাসূলুল্লাহ ﷺ যোহরের সালাত ও তাওয়াফে যিয়ারত শেষ করে মিনায় ফিরে আসেন এবং
আইয়ামে তাশরীকের রাতগুলো মিনায় যাপন করেন।” (সহীহ মুসলিম, কিতাবুল হজ্জ)
অনুবাদ: “যমযমের পানি পান করানোর দায়িত্বের কারণে আব্বাস (রা.) মিনার রাতগুলো মক্কায়
কাটানোর অনুমতি চাইলে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে অনুমতি দেন।” (সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিম)
নোট: ফকিহদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই বিশেষ অনুমতিই প্রমাণ করে—সাধারণভাবে মিনায় রাত যাপন
করা ওয়াজিব।
অনুবাদ: “মিনায় রাত্রিযাপন আবশ্যক হওয়ার প্রমাণ হাদীসসমূহ থেকে স্পষ্ট।” (আল-হিদায়া,
এলাউসসুনান)
হজ্জের কোন কোন দিনে মিনায় থাকতে হয়?
হজ্জের সময় মিনায় অবস্থানের দিনগুলো শরিয়ত অনুযায়ী নির্ধারিত। কোন দিন সুন্নত হিসেবে মিনায়
থাকতে হয়, আর কোন দিন ওয়াজিব—এগুলো পরিষ্কারভাবে জানা থাকলে হজ্জের আমল আদায় করা সহজ হয়। নিচে
দিনভিত্তিকভাবে মিনায় থাকার সময়সূচি সংক্ষেপে
তুলে ধরা হলো।
১. ৮ জিলহজ্জ (ইয়াওমুত তারবিয়া)
হজ্জের প্রস্তুতির প্রথম বড় ধাপ শুরু হয় ৮ জিলহজ্জ থেকে। এই দিনকে বলা হয় ইয়াওমুত তারবিয়া।
রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দিনে মিনায় অবস্থান করেছেন। তাই এ দিনে মিনায় যাওয়া সুন্নত। এই রাতে মিনায়
অবস্থান করে হাজীরা পরদিন আরাফার জন্য মানসিক ও
শারীরিকভাবে প্রস্তুত হন।
২. ১০ জিলহজ্জ (ঈদের দিন)
১০ জিলহজ্জ হলো কুরবানির দিন। আরাফা থেকে মুযদালিফা হয়ে হাজীরা মক্কায় রমি, কুরবানি ও হালাক
সম্পন্ন করেন। এরপর আবার মিনায় ফিরে আসা হয়। এই দিনের রাত মিনায় কাটানো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এরপর
শুরু হয় আইয়ামে তাশরিক।
৩. ১১ ও ১২ জিলহজ্জ
এই দুই রাত মিনায় অবস্থান করা অধিকাংশ ফকিহদের মতে ওয়াজিব। এই সময় হাজীরা প্রতিদিন জামরাতে রমি
করেন এবং রাত মিনায় যাপন করেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে এই রাতগুলো মিনায় কাটানো অত্যন্ত গুরুত্ব বহন
করে।
৪. ১৩ জিলহজ্জ (যাদের জন্য প্রযোজ্য)
যারা ১২ জিলহজ্জ সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করেন না, তাদের জন্য ১৩ জিলহজ্জেও মিনায় থাকা এবং রমি
করা আবশ্যক হয়ে যায়। তবে কেউ যদি ১২ তারিখেই সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করেন, তার জন্য ১৩
তারিখের মিনায় থাকা প্রয়োজন হয় না।
মিনায় কত রাত থাকা আবশ্যক?
রাত বলতে শরিয়তে সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত সময় বোঝানো হয়। সাধারণভাবে:
১১ ও ১২ জিলহজ্জের রাত মিনায় থাকা আবশ্যক
অধিকাংশ রাত মিনায় কাটাতে হবে
আংশিক রাত থাকলেও যদি বেশির ভাগ সময় মিনায় কাটানো হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য বলে ধরা হয়
তাওয়াফে ইফাযা ও সা‘ঈ শেষে মিনায় ফিরে আসা কেন জরুরি?
অনেক হাজী ১০ যিলহজ তাওয়াফে ইফাযা ও সা‘ঈ আদায়ের জন্য মক্কায় যান। এটি সহীহ ও গ্রহণযোগ্য। কিন্তু
যেহেতু আইয়ামে তাশরীকের রাতগুলো মিনায় যাপন করা ওয়াজিব, তাই—তাওয়াফ ও সা‘ঈ শেষ করে
অবশ্যই মিনায় ফিরে আসতে হবে। মক্কায়
রাত কাটিয়ে দেওয়া এই ওয়াজিব আমল পরিত্যাগের শামিল।
মিনায় রাত না কাটালে কী হবে?
যদি কেউ বিনা ওজরে মিনায় রাত না কাটান, তাহলে তার ওপর দম (ফিদিয়া) ওয়াজিব হয়। অর্থাৎ,
হারাম এলাকায় একটি পশু জবাই করে তার গোশত গরিবদের মাঝে বিতরণ করতে হবে। তবে কেউ যদি অসুস্থতা,
নিরাপত্তা ঝুঁকি বা জোরালো কারণে মিনায় থাকতে
না পারেন, তাহলে তার ওপর গুনাহ আরোপ হয় না।
যদি কোনো হাজী এক রাতও মিনায় যাপন না করেন, তাহলে তাঁর ওপর দম ওয়াজিব হবে
যদি কিছু রাত মিনায় থাকেন, কিছু রাত বাইরে কাটান, তাহলে তিনি গুনাহগার হবেন এবং সদকা
আদায় করতে হবে
নোট: সম্ভব হলে রাতের পাশাপাশি দিনের বেলাতেও মিনায় অবস্থান করা উত্তম, কারণ
রাসূলুল্লাহ ﷺ দিনগুলোও মিনায় কাটিয়েছেন।
ওজর বা ছাড়ের বিধান: কারা মিনায় না থাকলেও গুনাহগার নন
শরিয়ত কখনোই মানুষের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপায় না। তাই কিছু ক্ষেত্রে মিনায় রাত না কাটানোর ছাড়
রয়েছে। এই ছাড় প্রযোজ্য হতে পারে:
গুরুতর অসুস্থ হাজীদের জন্য
অতিবৃদ্ধ বা শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য
নারীদের বিশেষ পরিস্থিতিতে
হজ্জ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য
ভিড় বা নিরাপত্তাজনিত বাস্তব বাধার ক্ষেত্রে
নারীদের জন্য মিনায় থাকার বিশেষ নির্দেশনা
নারী হাজীদের জন্য শরিয়ত সহজ করেছে। নিরাপত্তা, মাহরাম, পর্দা এবং শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো
বিবেচনায় রেখে বিধান প্রযোজ্য হয়। হায়েজ অবস্থায় মিনায় থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ
মিনায় অবস্থান তাওয়াফের মতো শর্তযুক্ত নয়।
মাহরামের সঙ্গে অবস্থান ও যাতায়াত করা উত্তম ও নিরাপদ
ভিড়ের সময় ধৈর্য ও সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি
পর্দা ও শালীনতা রক্ষা করে চলাফেরা করা উচিত
বিনাপ্রয়োজনে তাঁবুর বাইরে বের না হওয়া ভালো
হায়েজ অবস্থায় মিনায় থাকা ও রাত যাপন বৈধ
অসুস্থতা বা নিরাপত্তাজনিত প্রকৃত ওজর থাকলে শরিয়তে ছাড় রয়েছে
বর্তমান বাস্তবতায় মিনায় থাকার বিষয়টি
বর্তমান সময়ে হজ্জে হাজীর সংখ্যা অনেক বেশি। মিনায় জায়গার সংকট, তাঁবুর সীমাবদ্ধতা এবং নিরাপত্তা
ব্যবস্থার কারণে অনেক হাজীকে আজিজিয়া বা অন্য এলাকায় থাকতে হয়।
এমন ক্ষেত্রে, যদি হাজী প্রকৃতপক্ষে বাধ্য হন এবং মিনায় থাকার সুযোগ না পান, তাহলে আল্লাহ তাআলার
কাছে তিনি গুনাহগার হবেন না। শরিয়ত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিধান দেয়।
মিনায় রাত যাপনের নিয়ত ও আদব
মিনায় থাকার জন্য আলাদা করে নিয়ত করা আবশ্যক নয়। হজ্জের ধারাবাহিক আমলের অংশ হিসেবেই এটি
অন্তর্ভুক্ত। মিনায় অবস্থানের সময়:
ধৈর্য ধারণ করা
অন্য হাজীদের কষ্ট না দেওয়া
অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ এড়ানো
সময়কে ইবাদতে কাজে লাগানো
মিনায় থাকার সময় সাধারণ ভুলগুলো
সচেতন থাকলে এসব ভুল সহজেই এড়ানো যায়। প্রতিবছর কিছু ভুল দেখা যায়:
পুরো রাত না থেকে মিনার বাইরে চলে যাওয়া
সময় গণনায় ভুল করা
বিনা কারণে মিনায় না থাকা
দমের বিধানকে হালকাভাবে নেওয়া
শেষ কথা: মিনায় অবস্থান—হজ্জের শিক্ষা ও বাস্তবতা
মিনায় থাকা হজ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। এটি শেখায় কীভাবে ভিড়, কষ্ট ও সীমাবদ্ধতার
মাঝেও আল্লাহর হুকুম মেনে চলতে হয়। শরিয়ত আমাদের ওপর কঠোরতা আরোপ করেনি; বরং বাস্তবতা ও
সামর্থ্যের মধ্যে থেকেই আমল করার নির্দেশ দিয়েছে।
কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল—সবকিছু মিলিয়ে স্পষ্ট হয় যে, মিনায় রাত যাপন হজ্জের
একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব আমল। ইলম ও সচেতনতা থাকলে মিনায় থাকার বিধান সহজেই বোঝা যায়।
আর বোঝার সঙ্গে সঙ্গে আমল করাও সহজ হয়ে ওঠে।
অনেক হাজী এই পথে সহায়তা পেয়ে থাকেন হিজাজ হজ্জ ওমরাহ লিমিটেড–এর মতো অভিজ্ঞ
প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।
বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ গাইডেড ও সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজ
আপনি যদি বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে শরিয়তসম্মত ও নির্ভরযোগ্য হজ পালনে আগ্রহী হন, তবে আমাদের
অভিজ্ঞ এবং নিবেদিত টিম আপনার পাশে রয়েছে।
সাশ্রয়ী দামে, সম্পূর্ণ গাইডেন্সসহ হজ পালনের জন্য আজই কল করুন ০১৭১৩১৫৫২৫৮ নম্বরে। আপনাকে উপযুক্ত হজ প্যাকেজ ও
প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে সহযোগিতা করা হবে।
মিনায় রাত যাপন ফরজ নয়। বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য মত অনুযায়ী, আইয়ামে তাশরীকের
(১১ ও ১২ জিলহজ্জ) রাতগুলো মিনায় যাপন করা ওয়াজিব। অর্থাৎ, বিনা ওজরে তা
পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
যদি কেউ কোনো ওজর ছাড়া মিনায় একটি রাতও যাপন না করেন, তাহলে তিনি গুনাহগার
হবেন এবং তার ওপর দম (ফিদিয়া) ওয়াজিব হবে। তবে ভুলবশত বা অজ্ঞতাবশত হলে
আলেমদের সঙ্গে পরামর্শ করে করণীয় নির্ধারণ করা উচিত।
আজিজিয়া বা মক্কায় থাকলেও হজ্জ শুদ্ধ হবে। তবে যদি বিনা ওজরে মিনায় রাত যাপন
না করে সেখানে থাকা হয়, তাহলে ওয়াজিব আমল ছুটে যাওয়ার কারণে দম ওয়াজিব হবে।
প্রকৃত ওজর থাকলে ভিন্ন হুকুম প্রযোজ্য।
যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ হন বা মিনায় থাকা তার জন্য কষ্টকর ও ক্ষতিকর হয়,
তাহলে শরিয়ত তাকে ছাড় দিয়েছে। এমন অবস্থায় মিনায় রাত না কাটালেও তিনি
গুনাহগার হবেন না।
যারা ১২ জিলহজ্জে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করেন, তাদের জন্য ১৩ জিলহজ্জে
মিনায় থাকা জরুরি নয়। তবে কেউ যদি ১২ তারিখে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মিনায়
অবস্থান করেন, তাহলে তার জন্য ১৩ জিলহজ্জে কঙ্কর নিক্ষেপ করে তারপর মিনা
ত্যাগ করা আবশ্যক।
শরিয়তের দৃষ্টিতে রাত বলতে সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত সময় বোঝানো হয়।
সাধারণভাবে রাতের অধিকাংশ সময় বা অন্তত অর্ধরাত মিনায় অবস্থান করলেই তা
রাত্রিযাপন হিসেবে গণ্য হয়।
নারীদের ক্ষেত্রে শরিয়ত বাস্তবতা ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় রেখেছে।
অসুস্থতা, অতিরিক্ত কষ্ট, নিরাপত্তাজনিত সমস্যা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে নারীদের
জন্য ছাড় রয়েছে। হায়েজ অবস্থায়ও মিনায় থাকা ও রাত যাপন বৈধ, কারণ
এটি তাওয়াফের মতো শর্তযুক্ত ইবাদত নয়।
সেরা হজ প্যাকেজ সন্ধান করুন
বিশেষ মূল্য ও অভিজ্ঞ গাইড এবং শরিয়াহ পরামর্শকের মাধ্যমে চমৎকার সব প্যাকেজ আবিষ্কার করুন।
Are you planning for pre-registering for Hajj 2027–2028 from Bangladesh? Pay the official fee BDT 30,000 and submit your NID or passport copy. Book hajj with Hijaz Hajj Agency
Plan your hajj journey with Hijaz Hajj Agency from Bangladesh. We've designed the most affordable, professional & service focused Hajj packages for the year 2027 from Bangladesh. Contact us today for pre-registration.
Find your nearby Hajj & Umrah agency associated with Hijaz Hajj Umrah Ltd. Bangladesh. Identify the trusted Umrah agents in your area and get in touch with them to facilitate your next holy journey to Makkah and Madina.